পায়রা সেতু কোথায় অবস্থিত॥পায়রা সেতুর ছবি॥পায়রা সেতু কবে উদ্বোধন করা হয়
পায়রা সেতু কোথায় অবস্থিত॥পায়রা সেতুর ছবি॥পায়রা সেতু কবে উদ্বোধন করা হয়
পায়রা সেতু কোথায় অবস্থিত:আসসালামুআলাইকুম বন্ধুরা আজকে আপনাদের সাথে আলোচনা করব পায়রা সেতু নিয়ে।পায়রা সেতু বরিশাল জেলা ও পটুয়াখালী জেলা কে যুক্ত করে।দক্ষিণাঞ্চল ও পটুয়াখালীবাসী অপেক্ষা পালা শেষ হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বেগম শেখ হাসিনা স্বপ্নের পায়রা সেতু উদ্বোধন করেন।২৮ শে অক্টোবর রোববার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গণভবন থেকে কর্ণফুলী সেতুর মতো দেখতে পায়রা সেতু প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করেন।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী সেতু এলাকায় অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হয়।ফেরি পারাপারের দুর্ভোগ থেকে দক্ষিণ অঞ্চলের মানুষের সড়ক চলাচলের অনেক সুবিধা নিয়ে এসেছে।
লেবুখালী সেতু উদ্বোধন
লেবুখালী সেতু উদ্বোধন:লেবুখালী পায়রা সেতুর প্রকল্প পরিচালক আব্দুল হালিম জানান পায়রা সেতুতে কোনো দুর্ঘটনা বা অপ্রীতিকর কোন ঘটনা যেন না ঘটে সেজন্য পায়রা সেতুতে সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে।
পায়রা সেতুর একটি বিশেষত্ব রয়েছে যে কোনো দুর্ঘটনায় সিগন্যাল দিবে।বাংলাদেশে এই প্রথম পায়রা সেতুতে যুক্ত করা হয়েছে পিয়ার প্রটেকশন সিস্তেম ও হেলথ মনিটরিং।
সিস্টেম লাগানোর ফলে ব্রিজের উপর কোন ওভারলোড যানবাহন উঠলে হেলথ মনিটরিং সিস্টেম থেকে সিগনাল পাওয়া যাবে।
আব্দুল হালিম আরও জানান যে উচ্চ মাত্রার ভূমিকম্প ও বজ্রপাতের মতো ভয়াবহ দুর্যোগ ও অন্যান্য ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ আসলে সিগন্যাল দিবে।
ব্রিজের পিলারের সাথে কোন কিছু ধাক্কা লাগার সম্ভাবনা থাকে পিলারের চারপাশে অতিরিক্ত পিলার বসানো হয়েছে।পিলারের কোনো ক্ষতি না হয়।
বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কের ২৭ কিলোমিটার নদীর উপর হাজার ৪৭০ মিটার লেবুখালী-পায়রা সেতু নির্মাণ করেন।পায়রা সেতু নির্মাণের ফলে উপকূলের 50 লাখ মানুষের স্বপ্ন পূরণ হয়েছে।
পায়রা সেতু চালু হওয়ার কারণে পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলা সহ উপকূলীয় জনসাধারণের চলাচল ব্যবস্থা সহজ হয়েছে।
পায়রা সেতু চালু হওয়ার কারণে কুয়াকাটার পর্যটন কেন্দ্র সম্ভাবনার দ্বার খুলে গেছে।
পায়রা সেতু চালু হওয়ার কারণে ঢাকা থেকে কুয়াকাটা যাইতে সময় লাগে 6 থেকে 7 ঘন্টা।
পায়রা সেতু চালু হওয়ার কারণে ঢাকার সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থার পথ
সুগম হবে পর্যটন নগরী কুয়াকাটা,পায়রা সমুদ্র বন্দর,পায়রা বিদ্যুৎ
কেন্দ্র,পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়,কোস্টগার্ডের
সিজিএস অগ্রযাত্রা,পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজসহ বিভিন্ন
প্রতিষ্ঠান গুলোর যাতায়াত ব্যবস্থা সহজ হয়েছে।
পায়রা নদীর উপর সেতু নির্মাণ করা ছিল প্রধানমন্ত্রী বেগম শেখ হাসিনার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি।
2013 সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পটুয়াখালীর লেবুখালী তে এসে তেতুল ভিত্তি স্থাপন করে যান।
ওপেক ফান্ড ফর ইন্টার্নেশনাল ডেভলপমেন্ট, কুয়েত ফান্ড ফর আরব ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট এবং বাংলাদেশ সরকারের যৌথ বিনিয়োগে ১১৭০ কোটি টাকা ব্যয়ে পায়রা সেতু নির্মাণ হয়।
গল্পটি বাস্তবায়ন করেন চীনের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান লন্ডিয়ান ব্রিজ অ্যান্ড রোড কনস্ট্রাকশন। পায়রা সেতু নির্মাণের ডিজাইন একটু ব্যতিক্রম।
পায়রা সেতু ব্রিজ নির্মাণ করা হয় কেবল স্টেট প্রযুক্তিতে পায়রা সেতু ব্রিজ চার লেন বিশিষ্ট। পায়রা সেতু ডিজাইন নেওয়া হয়েছে কর্ণফুলী নদীর উপরে শাহা আমানত ব্রীজ এর ডিজাইন থেকে।
পায়রা সেতুটি ১৭০ মিটার দৈর্ঘ্য ১৯ দশমিক ফ্যাক্টর মিটার প্রস্থ পায়রা সেতুটি ক্যাবল দিয়ে ২ পাশে সংযুক্ত করা থাকবে।
পায়রা সেতুটি জলের তলদেশ থেকে ১৮দশমিক ১৯ মিটার উঁচুতে।পায়রা সেতুর দুই পাড়ে নির্মাণ করা হয়েছে সংযোগ সড়ক প্রায় ৭ কিলোমিটার।
পায়রা সেতুতে 130 মিটার গভীর পাল বসানো হয়েছে।পায়রা সেতুর নদীর মাঝে শুধু একটা পিলার বসানো হয়েছে।এর কারণে নদীর জলস্রোত ঠিক থাকবে।
পায়রা সেতু নির্মাণের প্রকল্পের অনুমোদন দেয় ২০১২ সালে। বিদেশি অর্থায়নে নির্মিত পায়রা সেতু শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০১৬ সালে।
পায়রা সেতু নির্মাণের ব্যয় ধরা হয়েছিল সেই সময়ে ৪১৩ দশমিক ২৮ কোটি টাকা।পায়রা সেতু ব্যয় ধারণাগত একটা নকশার অনুমান করে ধরা হয়েছিল।
পায়রা সেতুর নকশা পরবর্তীতে পাওয়ার পর চূড়ান্ত ব্যয় নির্ধারণ করা হয়।এর ফলে পারা সেতুর ব্যয় বেড়ে যায়।
পায়রা সেতু নির্মাণ চুক্তি ছিল 1870 কোটি টাকা।পায়রা সেতু ব্যয় হয় 1 হাজার 108 কোটি টাকা 52 কোটি টাকা সাশ্রয় হয়।
পায়রা সেতুর ছবি
পায়রা সেতুর ছবি:পায়রা সেতু ২ কেবল বিশিষ্ট সেতু পায়রা সেতুর ছবি নিম্নে দেওয়া হল।
পায়রা সেতুর ছবি, উপরের সবগুলোই পায়রা সেতুর ছবি।
পায়রা সেতু কবে উদ্বোধন করা হয়
পায়রা সেতু কবে উদ্বোধন করা হয়:পায়রা সেতু পটুয়াখালী ও বরিশাল জেলার কে যুক্ত করে।
পায়রা সেতু উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী বেগম শেখ হাসিনা।২৮ শে অক্টোবর ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গণভবনে বসে।


