পদ্মা সেতু দেখতে মাওয়ার পাড়ে মানুষের ঢল
পদ্মা সেতু দেখতে মাওয়ার পাড়ে মানুষের ঢল
পদ্মা সেতু বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ সেতু। মুন্সিগঞ্জের মাওয়া পারে পদ্মা সেতুর এক প্রান্তে অবস্থিত। পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে শুরু হয়। শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তে ৩৭ ও ৩৮ নম্বর পিলারের উপর ২০১৭ সালের ৩০ ডিসেম্বর প্রথম স্প্যান বসানো হয়।
বিশেষ সূত্রে জানা যায় যে পদ্মা সেতুর কাজ 97 ভাগ শেষ হয়েছে। তিন ভাগ কাজ অবশিষ্ট্য আছে। সেতু বিভাগ জানিয়েছে পদ্মা সেতুর কাজ আগামী জুন মাসে শেষ হবে।
You may like also.....
আগামী জুন মাসের শেষের দিকেই পদ্মা সেতুর উপর দিয়ে যান চলাচলের কথা জানিয়েছেন সেতু কর্তৃপক্ষ। সেতু বাংলাদেশের দক্ষিণ অঞ্চলের মানুষের জন্য সুফল বয়ে আনবে। পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার। পদ্মা সেতুর দুই তলা বিশিষ্ট।
পদ্মা সেতুর উপরের তলায় গাড়ি চলাচল করবে এবং নিচের তলায় ট্রেন চলাচল করবে। করুনার সময় মানুষ ঘর থেকে তেমন একটা বেরোতে পারে নাই তাই পদ্মাসেতু দেখার সময় হয় নাই।
এবছর ঈদে প্রথম দিনেই মুন্সীগঞ্জের মাওয়া পারে মানুষের ঢল নেমে এসেছে পদ্মা সেতু দেখার জন্য। পদ্মা সেতু কাছ থেকে দেখার বা পদ্মা সেতুর উপর থেকে হাঁটার অনেকের ইচ্ছে। অথবা কারো ইচ্ছে পূরণ হবে আর হয়তোবা হবে না।
সেতু তৈরি এই সময়কালের ভিতরে অনেকই হয়তোবা এই স্বপ্ন নিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেছে। এ বছর ঈদে পদ্মা সেতু দেখার জন্য দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ ছুটে চলে এসেছে না।
দেখার জন্য অনেকে হয়তো বা বন্ধুবান্ধব মিলে আসে আবার কেউ কেউ সপরিবারে ইয়াহু পদ্মা সেতু দেখার জন্য ভিড় জমাচ্ছে মুন্সীগঞ্জেরর মাওয়া প্রান্তে। পদ্মা সেতুর অন্যপ্রান্তে মানে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তের মানুষের ঢল দেখা যায় অনেক।
জাজিরা পয়েন্টে সার্ভে করার সময় এক মেয়ে বলেন আমার অনেকদিন ধরে স্বপ্ন ছিল আমি পদ্মা সেতু নিয়ে সরাসরি দেখব কারণ প্রতিদিনই টিভিতে দেখি কিন্তু আজকে আমার সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে।
কিন্তু এখন একটা স্বপ্ন বাকি পদ্মা সেতুর উপর দিয়ে নিজের পায়ে হেঁটে যাওয়ার স্বপ্নটা জানিনা কতদিন পরে তা পূরণ হবে। সেতু দেখার জন্য শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তে ও মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রানতে সব বয়সী নারী-পুরুষ দেখা যায় যেমন শিশু মধ্যবয়সী নারী পুরুষকে ভিড় জমাতে দেখা যায় মাওয়া প্রান্তে।
কেউ কেউ ছবিও তুলেছেন পদ্মা সেতুর কারণ বর্তমানে পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ এখনো শেষ হয়নি তাই পদ্মা সেতুর এরিয়ার ভিতরে জনসাধারণকে ঢুকতে দেওয়া নিষেধ কারণ যেকোনো সময় না দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
তারপরও মানুষ পদ্মা সেতুকে কাছ থেকে দেখতে না পাইলেও একটু দূর থেকে দেখে নিজের মনকে একটু সান্তনা দেয় তাই। এইজন্য অনেক দূর দূরান্ত থেকে দর্শনার্থীরা ঈদের প্রথম দিন থেকেই দেখতে আসে পদ্মা সেতু আজও অনেক মানুষ এই পদ্মার তীরে ভিড় জমাচ্ছে পদ্মা সেতু দেখার জন্য।
কারণ পদ্মা মানে আমাদের অহংকার কোন ইন্টার্নেশনাল ল ছাড়াই আমরা পদ্মা সেতু তৈরি করেছি। আমাদের নিজস্ব অর্থায়নে তৈরি হয়েছে স্বপ্নের পদ্মা সেতু। পদ্মা সেতু বাংলাদেশের দক্ষিণেশ্বর অঞ্চলের মানুষের অর্থনৈতিক সামাজিক যোগাযোগ ব্যবস্থাকে অনেক সুদৃঢ় করে তুলবে। পদ্মা সেতু বাংলাদেশের জিডিপিতে অনেক মজবুত করবে।
Related post...
