কর্ণফুলী টানেল এর দৈর্ঘ্য কত কিলোমিটার ও ছবি এবং বিস্তারিত তথ্য

কর্ণফুলী টানেল এর দৈর্ঘ্য কত কিলোমিটার ও ছবি এবং বিস্তারিত তথ্য

কর্ণফুলী টানেল এর দৈর্ঘ্য কত কিলোমিটার ও ছবি এবং বিস্তারিত তথ্য পার্কে আপনাদের সাথে বিস্তারিত আলোচনা করব। এই সুড়ঙ্গটি বঙ্গবন্ধু টানেল নামে নামকরণ করা হয়েছে। এই চ্যানেলটিকে অনেকে হয়তো বা কর্ণফুলী টানে নামে চিনি। আবারো হয়তোবা অনেকে জানে না যে কর্ণফুলী টানেলটির আসল নাম কি। কর্ণফুলী টানেলের আসল নাম হল বঙ্গবন্ধু টানেল। 



কর্ণফুলী টানেলের দৈর্ঘ্য হল ৩.৪৩ কিলোমিটার। কর্ণফুলী টানেল টি ৩৪০০ মিটার দৈর্ঘ্য। কর্ণফুলী টানেলের নদীর এপার থেকে ওপার ৭০০ মিটার। নদীর গভীরতা ৯ থেকে ১১ মিটার। কর্ণফুলী টানেল হওয়ার কারণে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার এবং সারা দেশের সাথে সংযুক্ত করবে। 



কণফুলী টানেল এর নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ সালে। কর্ণফুলী টানেল এর কাজ শুরু করে দক্ষিণ পতেঙ্গা ৪১ নং ওয়ার্ড থেকে এবং শেষ হবে কর্ণফুলী নদীর অপরপ্রান্ত আনোয়ারা থেকে। আমরা সবাই জানি যে বাংলাদেশ একটি নদীমাতৃক দেশ। এদেশে প্রচুর পরিমাণে নদী ও খাল বিল রয়েছে। 



তাই বাংলাদেশ ব্রিজ তৈরি করতে হয় প্রচুর পরিমাণে। বঙ্গবন্ধু টানেল বাংলাদেশের সর্বপ্রথম টানেল। কর্ণফুলী টানেল টি চট্টগ্রামকে দুই ভাগে বিভক্ত করেছে একভাগে রয়েছে নগর ও বন্দর এবং অন্যভাগে রয়েছে শিল্প এলাকা। বর্তমানে কর্ণফুলী নদীর উপর তিনটি সেতু বিরাজমান রয়েছে। 



সেতুগুলোতে প্রচুর পরিমাণে জ্যাম থাকার কারণে বাংলাদেশ সরকার নদীর তলদেশ থেকে টানেল নির্মাণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। পরবর্তীকালে কর্ণফুলী টানেলের নির্মাণ করার বাস্তবায়ন করেন। চট্টগ্রাম হল বাংলাদেশের সর্ব প্রধান সমুদ্র বন্দর এই বন্দর থেকে বিভিন্ন দেশের সাথে বাণিজ্য করা হয় জাহাজ যোগে। 



কর্ণফুলী টানেল এর চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করা হয় ২৪/১১/২০১৫ সালে। কর্ণফুলী টানেলটি নদীর উপরিভাগ থেকে ১৫০ ফুট গভীরে অবস্থিত।

* কর্ণফুলী প্যানেলের বর্তমান অবস্থা নির্মাণাধীন।

* কর্ণফুলী ট্যানেল উদ্বোধন করা হবে ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে।

* চ্যানেলের ভিতর থেকে চলাচল করবে পর্ণ বাহির ট্রাক বাস মোটর বাইক।

* ২০১৬ সালের ১৪ অক্টোবর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিন পিং কর্ণফুলী টানেল প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

কর্ণফুলীর টানেলের বাজেট

কর্ণফুলী টানেল বা বঙ্গবন্ধুর প্যানেল নির্মাণে ব্যয় হবে প্রায় ৯ হাজার ৮৮০ কোটি টাকা। ২০১৬ সালের অক্টোবর মাসে চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিন পিং ঢাকা সফরে আসার পর কর্ণফুলী টানেলের ঋণ স্বাক্ষর করে। চুক্তি অনুযায়ী চীনের ব্যাংক ২০ বছর মেয়াদী ৫ হাজার ৯১৩ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে। এই ঋণের সুদের হার 2%। বাকি 3967 কোটি টাকা বাংলাদেশ সরকার বহন করে। গুলো হল কর্ণফুলী টানেল বা বঙ্গবন্ধু টানেলের বিস্তারিত তথ্য।


কর্ণফুলী টানেল বা বঙ্গবন্ধু টানেলের ছবি

কর্ণফুলী টনের বা বঙ্গবন্ধু টানের ছবি নিম্নে দেওয়া হল। ফুলি টানেল যা বাংলাদেশের সর্বপ্রথম টানেল। এটা কর্ণফুলী নদীর তলদেশ নির্মাণ করা হচ্ছে। কর্ণফুলী টানেল টি দুই লেনের সড়ক টানেল।


কর্ণফুলী টানেল বা বঙ্গবন্ধু টানেলের ছবি

    কর্ণফুলী টানেল বা বঙ্গবন্ধু টানেলের ছবি


কর্ণফুলী টানেল বা বঙ্গবন্ধু টানেলের ছবি

   কর্ণফুলী টানেল বা বঙ্গবন্ধু টানেলের ছবি



কর্ণফুলী টানেল বা বঙ্গবন্ধু টানেলের ছবি


কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ করবে কোন দেশ

কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ করবে কোন দেশ তা নিম্নে দেওয়া হল। কর্ণফুলী টানেল বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ চট্টগ্রাম বন্দর নগরীতে তৈরি করা হচ্ছে। কর্ণফুলী টানেল বা বঙ্গবন্ধু টানের নির্মাণ করে চীন দেশ। প্রিয় পাঠক কর্ণফুলী সম্পর্কে আজকে এ পর্যন্ত আবারো হয়তোবা আপনাদের সাথে দেখা হবে অন্য কোন পোস্ট নিয়ে ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন ধন্যবাদ।




WRITTEN BY

A Blogger, Author and a Youtuber! Technology News Writer, has been with Ajker IT since 2022.

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url