পর্তুগাল যেতে কত টাকা লাগে? বাংলাদেশ থেকে পর্তুগাল যাওয়ার নিয়ম (best)

পর্তুগাল যেতে কত টাকা লাগে? বাংলাদেশ থেকে পর্তুগাল যাওয়ার নিয়ম (best) 

প্রিয় পাঠক এখন আপনাদের সাথে আলোচনা করব পর্তুগাল যেতে কত টাকা লাগে এই সম্পর্কে, আরো আলোচনা করবো বাংলাদেশ থেকে পর্তুগাল যাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে, আজকে আমার এই পোষ্টের মাধ্যমে আপনারা পর্তুগাল যেতে কত টাকা লাগে এবং পর্তুগাল ভিসা আবেদন, পর্তুগাল পর্তুগাল স্টুডেন্ট ভিসা ২০২২, পর্তুগাল এম্বাসি বাংলাদেশ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য থাকবে এসব গুলো আপনারা জানতে আমার এই পোস্ট টি মনোযোগ সহকারে পড়তে থাকুন।

 

পর্তুগাল যেতে কত টাকা লাগে? বাংলাদেশ থেকে পর্তুগাল যাওয়ার নিয়ম

বর্তমান সময়ে পর্তুগাল যাওয়ার সবচেয়ে ভাল মাধ্যম হলো বিমানযোগে যাওয়া, আপনি যদি বিমানে করে পর্তুগাল যেতে চান তাহলে ৫৯০ ডলার লাগে। আমরা সবাই জানি যে শুধু বিমানের টিকিট কেটে কোন দেশে যাওয়া যায় না। আপনার অন্য কোন দেশে যেতে হলে অবশ্যই ভিসা প্রয়োজন হবে এবং ভিসা সংগ্রহ করে তারপর টিকিট করতে হবে এর পরবর্তীতে আপনি যেতে পারবেন পর্তুগাল বা অন্য কোন দেশে। 

বর্তমান সময়ে পর্তুগাল যেতে বাংলাদেশি ৬১,১৮৩ টাকা লাগে। বর্তমান সময়ে পর্তুগাল যেতে ১৫ ঘণ্টা ১০ মিনিট সময় লাগে।

পর্তুগাল যেতে হলে ভিসার প্রয়োজন তা টুরিস্ট ভিসা হোক বা কোন কাজের ভিসা হোক না কেন। আপনি পর্তুগাল এম্বাসি থেকে ভিসা সংগ্রহ করতে পারবেন। যদি আপনি পর্তুগালে কাজ করতে যেতে চান, তাহলে ওয়ার্ক পারমিট ভিসা বা কাজের ভিসা সংগ্রহ করে যেতে হবে। 

আপনি যদি কোন এজেন্সির মাধ্যমে পর্তুগাল যেতে চান, তাহলে আপনার অনেক টাকা খরচ হয়ে যাবে। খরচের পরিমাণ প্রায় ১০ থেকে ১২ লক্ষ টাকা হতে পারে। এছাড়া আপনি যদি আপনার কোন পরিচিত ব্যক্তির মাধ্যমে পর্তুগালের ভিসা সংগ্রহ করেন তাহলে ৮ থেকে ৯ লক্ষ টাকা ভিতর পর্তুগাল যেতে পারবেন।

আরো পডুন ,,,  আজকের ইতালি ১ টাকা বাংলাদেশের কত টাকা?

বর্তমান সময় রোমানিয়া যেতে কত টাকা লাগে?

বাংলাদেশ থেকে পর্তুগাল যাওয়ার নিয়ম

প্রিয় বন্ধুরা আপনারা বাংলাদেশ থেকে যারা পর্তুগালে যেতে চান তাদের জন্য এখন আলোচনা করব, বাংলাদেশ থেকে পর্তুগাল যাওয়ার কয়েকটি উপায় রয়েছে। সর্বপ্রথম যে উপায়টি রয়েছে তা হলো:- আপনি বাংলাদেশ থেকে পর্তুগাল সরকারিভাবে যেতে পারেন। এছাড়া আপনি বাংলাদেশ থেকে পর্তুগাল কোন এজেন্সির মাধ্যমে ভিসা সংগ্রহ করে যেতে পারেন। আরো একটি উত্তম মাধ্যম হলো আপনার যদি কোন পরিচিত ব্যক্তি পর্তুগালে বসবাস করে তার কাছ থেকে ভিসা সংগ্রহ করে আপনি পর্তুগালে যেতে পারেন। 


এই তিনটি উপায়ে যেতে হলে এর খরচ ভিন্ন ভিন্ন আপনি যদি পর্তুগাল সরকারিভাবে যেতে চান তাহলে আপনার ৬ মাস বা প্রায় ১ বছর অপেক্ষা করতে হবে। কারণ ইউরোপীয় দেশগুলোর ভিসা পেতে অনেকটা সময় লেগে যায় এবং সরকারিভাবে ভিসার খরচ হবে প্রায় ৪ থেকে ৫ লক্ষ টাকা। এছাড়া কোন এজেন্সির মাধ্যমে ভিসা সংগ্রহ করলে আপনার খরচ হবে ১০ থেকে ১১ লক্ষ টাকার মত। 

আপনি যদি আপনার কোন পরিচিত ব্যক্তির মাধ্যমে ভিসা সংগ্রহ করেন তাহলে আপনার খরচ হবে ৮ থেকে ৯ লক্ষ টাকা। এছাড়া আমাদের দেশের লোক অবৈধ পথে পর্তুগালে যাওয়ার চিন্তা করে এবং যায় কিন্তু তাদের ভিতর অসংখ্য মানুষ মৃত্যুমুখে পতিত হয়। এগুলো আমরা সংবাদ এর মাধ্যমে জানতে পারি। 

তাই আমি বলব যে আপনারা কখনোই পর্তুগাল অবৈধ পথে যাওয়ার চেষ্টা করবেন না কারণ অবৈধভাবে পর্তুগাল যাওয়ার অনেক সমস্যা রয়েছে। আপনি পর্তুগালে যাওয়ার পথে কোন দেশের বর্ডার যদি ধরা পড়েন। তাহলে আপনার বড় ধরনের শাস্তি হবে যা আপনার কল্পনার বাহিরে। 

এবং যে দালাল চক্রের মাধ্যমে আপনি পর্তুগাল যেতে চান সেই দালাল চক্র হয়তোবা আপনাকে আটক করে বড় ধরনের মুক্তিপণ দাবি করতে পারে। সেজন্য পরিশেষে আমি বলবো আপনারা অবৈধ পথে যাওয়ার পথটা কখনোই অবলম্বন করবেন না। উপরে তিনটি উপায় বলে দিয়েছি এর মাধ্যমে আপনারা যেতে পারেন।

আরো পড়ুন ,,, কাতার যেতে কি কি লাগে


বাংলাদেশ থেকে পর্তুগাল যেতে কি কি কাগজপত্র প্রয়োজন

আপনারা যারা বাংলাদেশ থেকে পর্তুগালে যেতে চান, তারা হয়তো অনেকেই জানেন না যে পর্তুগালে যেতে হলে কি কি ডকুমেন্ট প্রয়োজন হবে। বর্তমান সময়ে পর্তুগাল যেতে কি কি ডকুমেন্ট প্রয়োজন হয় সে সম্পর্কে জানতে পোস্টটি পড়তে থাকুন। পর্তুগাল যেতে হলে আপনার সর্বপ্রথম প্রয়োজন হবে দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি, যার ব্যাকগ্রাউন্ড হতে হবে সাদা। 

বাংলাদেশ সরকারের অনুমোদিত একটি পাসপোর্ট এই পাসপোর্ট এর মেয়াদ কমপক্ষে এক বছর থাকতে হবে। এবং আরো প্রয়োজন হবে আইএলটিএস সার্টিফিকেট, সার্টিফিকেট মানে ইংরেজি ভাষা আপনি কতটুকু জানেন। আপনার যদি আইএলটিএস করা থাকে তাহলে অতি সহজেই পর্তুগাল যেতে পারবেন। 

এবং আরো প্রয়োজন হবে বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত একটি ভোটার আইডি কার্ড। ভোটার আইডি কার্ড যদি ফেক হয়। তাহলে পর্তুগাল অ্যাম্বাসি কখনো একসেপ্ট করবে না।  এছাড়া আরো প্রয়োজন হবে আপনার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স, মানে বাংলাদেশে আপনি কোন বড় ধরনের অপরাধের সাথে জড়িত কিনা, আপনার নামে কোন অভিযোগ করা আছে কিনা।  আপনার নামে যদি কোন অভিযোগ থাকে তাহলে পর্তুগালের ভিসা কখনোই পাবেন না। 

আরো পড়ুন ,,, মৌলিক ও যৌগিক পদার্থ কাকে বলে উল্লেখ করা হলো

পর্তুগাল কোন কাজের চাহিদা বেশি 

বর্তমান সময়ে বা পূর্ব কাল থেকে পর্তুগালে অসংখ্য কাজ রয়েছে। তার ভিতরে যে সকল কাজের চাহিদা বেশি তা  হল:- হোটেল বয়, আমরা এটা জানি না যে পর্তুগালে অসংখ্য হোটেল রয়েছে তা করোনা মহামারীতে বন্ধ ছিল। বর্তমান সময়ে হোটেলগুলো চালু করার জন্য, পর্তুগালে অনেক হোটেল বয় প্রয়োজন। তাই বাংলাদেশ ও ইন্ডিয়া থেকে অসংখ্য হোটেল শ্রমিক নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে পর্তুগাল শ্রম মন্ত্রণালয়। 


ক্লিনার কাজ, পর্তুগালে বিভিন্ন অফিস-আদালতে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা করার জন্য অনেক ক্লিনার কর্মী প্রয়োজন। তাই বর্তমান সময়ে পর্তুগালে অনেক ক্লিনার কর্মী নেওয়া হচ্ছে। পর্তুগাল ড্রাইভিং কাজ, বর্তমান সময়ে পর্তুগালের ড্রাইভার নেওয়া হচ্ছে। কারণ পর্তুগালে ড্রাইভারের অনেক অভাব তাই পর্তুগালে দক্ষ ড্রাইভার নেওয়া হচ্ছে।

 

কম্পিউটার অপারেটিং কাজ, পর্তুগাল একটি আধুনিক দেশ হিসেবে কম্পিউটার অপারেটিং কাজের জন্য অসংখ্য লোক নেওয়া হচ্ছে বাংলাদেশ ও ইন্ডিয়া থেকে। বিশেষ করে যেসব ব্যক্তিবর্গ শিক্ষিত তারা কম্পিউটার অপারেটিং কাজের জন্য আবেদন করতে পারেন। এ জন্য সর্বপ্রথম কম্পিউটার অপারেটিং এর উপর আপনার দক্ষতা থাকতে হবে। এবং কম্পিউটার অপারেটিং এর উপর একটি সার্টিফিকেট প্রয়োজন হবে। 

আরো পড়ুন ,,, বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানায় চাকরির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি 2022 পদ সংখ্যা-138

পর্তুগাল কৃষি কাজ, প্রিয় বন্ধুরা বাংলাদেশের ন্যায় পর্তুগালে কৃষি কাজ করা হয়। এবং এই কৃষিকাজের জন্য দক্ষ শ্রমিক নেয়া হচ্ছে বর্তমানে। আপনার যদি কৃষি কাজের উপর দক্ষতা থাকে তাহলে আজই আবেদন করতে পারেন। পর্তুগালের কৃষি ভিসার জন্য এক্ষেত্রে আপনার প্রয়োজন হবে কৃষি কাজের উপর একটি সার্টিফিকেট। সার্টিফিকেট  মেয়াদ কমপক্ষে এক বছর হতে হবে।

 

ফুড প্যাকেজিং, পর্তুগালে বিভিন্ন ফ্যাক্টরি রয়েছে, সেগুলোতে আপনারা ফুড প্যাকেজিং কাজ করতে পারেন। বর্তমান সময়ে এই কাজটির অনেক চাহিদা রয়েছে, আপনারা যদি এই কাজের জন্য পর্তুগাল যেতে চান, তাহলে আজই পর্তুগাল ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন। পর্তুগাল ভিসা অনলাইনে আবেদন কোথায় করবেন তার ঠিকানা নিম্নে উল্লেখ করে দিব। এসকল বিষয় জানতে আমার এই পোস্টটি পড়তে থাকুন আরো অসংখ্য কাজ রয়েছে।


পর্তুগাল কাজে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি কিভাবে খুজবেন

বাংলাদেশ থেকে বা অন্যান্য দেশ থেকে পর্তুগালে যাওয়ার পর কাজ খোজাটা অনেক কষ্টকর হয়ে পড়ে। কারণ পর্তুগাল যাওয়ার পরে আপনার নিজে নিজেই কাজ খুঁজে নিতে হবে। এছাড়া আপনি যদি পর্তুগালে কোন কোম্পানির মাধ্যমে যান, তাহলে সেই কোম্পানি আপনাকে কাজ প্রদান করবে। নিজে নিজে কাজ খুঁজতে গেলে আপনার সর্বপ্রথম যা করণীয় তা হল, পর্তুগালে বিভিন্ন কোম্পানি রয়েছে। 


সেই কোম্পানিগুলোর ওয়েবসাইটে গিয়ে কাজ খুজতে হবে। পর্তুগালের বিভিন্ন কোম্পানির কর্মী প্রয়োজন তাই ওয়েবসাইট গুলোতে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া থাকে। এবং সেই সাথে কিছু রুলস দেওয়া থাকে। আপনারা তাদের শর্ত গুলো মানলে আপনি চাকরি পেতে পারেন। সেখানে আপনার যা করণীয়, তারা যে নীতিমালা দিয়ে রেখেছেন সেই অনুযায়ী একটি সিভি তৈরি করে আপনাকে সাবমিট করতে হবে। 

আরো পড়ুন ,,, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২২

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২২

আপনি যে জিমেইল ও ফোন নাম্বার দিয়ে রাখবেন, তার মাধ্যমে আপনাকে পরবর্তীতে তারা ডেকে নেবে। এইভাবে পর্তুগালের অসংখ্য ওয়েবসাইট রয়েছে যার মাধ্যমে প্রতিনিয়ত হাজারো মানুষ কাজ খুঁজে পায়। যেমন উদাহরণস্বরূপ বাংলাদেশ এরকম অসংখ্য ওয়েবসাইট রয়েছে। যার মাধ্যমে মানুষ জব সংগ্রহ করে, বাংলাদেশের ওয়েবসাইটটির নাম জবস ২৪।  

এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে চাকরি খুঁজে পাওয়া যায়। এছাড়া পর্তুগালের যাওয়ার পর যদি আপনার কোন পরিচিত ব্যক্তি থাকে তার মাধ্যমে আপনি চাকরি খুঁজে পেতে পারেন। এটা মূলত একটি সহজ মাধ্যম, কিন্তু দেখা যায় অনেক সময় পর্তুগালে আপনার কোন পরিচিত ব্যক্তি নেই, সেক্ষেত্রে আপনাকে পত্রিকা বা ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে জবের জন্য আবেদন করতে হবে। 

প্রিয় বন্ধুরা, এভাবেই মূলত পর্তুগালের কাজের বিজ্ঞপ্তি দেখে কাজ খোঁজা হয়। পর্তুগালের আরও কিছু বিষয় সম্পর্কে জানতে চাইলে মনোযোগ সহকারে আমার পোস্টটি পড়তে থাকুন।


পর্তুগালে কাজ পেতে হলে কি কি দক্ষতা প্রয়োজন

পর্তুগাল যাওয়ার পরে আপনি কি কাজ করতে চান এবং সেই কাজের উপর আপনার কতটুকু দক্ষতা আছে, তার উপর নির্ভর করে কাজ পাওয়া। আপনি যদি পর্তুগাল যাওয়ার পর কৃষি কাজ করতে চান, তাহলে কৃষিকাজের উপরে কমপক্ষে এক বছরের দক্ষতা থাকতে হবে।  

এবং আরো প্রয়োজন হবে পর্তুগালের ভাষা ও ইংলিশ ভাষা জানতে হবে, তা না হলে আপনি কখনোই পর্তুগালের কৃষি কাজ পাবেন না। আপনি যদি পর্তুগালে ড্রাইভার চাকরি করতে চান তাহলে গাড়ি চালানোর উপর আপনার দক্ষতা থাকতে হবে।

 

সর্বপ্রথম আপনার প্রয়োজন হবে পর্তুগালের ড্রাইভিং লাইসেন্স। আপনার যদি ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকে তাহলে অবশ্যই পর্তুগাল গেলে ড্রাইভার চাকরি পেয়ে যাবেন। 

আপনি যদি পর্তুগালের কোন অফিসের কাজ করতে চান, তাহলে অবশ্যই আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হবে। এছাড়া আপনি কখনোই পর্তুগালে অফিসের কাজ করতে পারবেন না।

 

আপনি যদি পর্তুগালে কোন বাসার কাজ করতে চান, তাহলে সর্বপ্রথম আপনাকে পর্তুগালের ভাষা জানতে হবে এবং পর্তুগাল বাসার রান্নাবান্নার কাজ জানতে হবে। তাহলে অবশ্যই আপনি পর্তুগালের বাসার কাজটি পেয়ে যাবেন।

 

পর্তুগালে যদি আপনি ইলেকট্রিক্যাল কাজ করতে চান, তাহলে ইলেকট্রিক কাজের উপর অনেক দক্ষতা থাকতে হবে। কারন আপনি যখন পর্তুগাল ইলেকট্রিক কাজ করতে যাবেন, সর্বপ্রথমে আপনার ইন্টারভিউ নেওয়া হবে, আপনি যদি পাস করেন তাহলে অবশ্যই পর্তুগালে ইলেকট্রিক্যাল কাজটি পেয়ে যাবেন।

আরো পড়ুন ,,, ইন্ডিয়ান ভিসা পেতে কতদিন লাগে 2022

পর্তুগাল ভিসা আবেদন

পর্তুগাল ভিসা আবেদন করার জন্য কিছু মাধ্যম রয়েছে, তা আমার এই পোস্টের মাধ্যমে আপনাদের জানিয়ে দেবো। পর্তুগালের ভিসা আপনি অনলাইনে আবেদন করতে পারেন। বর্তমান সময়ে পর্তুগালের ভিসা আবেদন করা অনেকটা সহজ, একবার আপনি ঠিকঠাক আবেদন করলে অল্প সময়ের ভিতর পর্তুগালের ভিসা পেয়ে যাবেন। 


পর্তুগালের ভিসা আবেদন করার জন্য আপনাকে সর্বপ্রথম যেতে হবে, পর্তুগাল ভিসা আবেদন করার ওয়েবসাইটে, যাওয়ার পর আপনি নিজে নিজেই আবেদন করতে পারবেন। কিন্তু পর্তুগালের ভিসা আবেদন করার জন্য কিছু কাগজপত্র প্রয়োজন হবে।  


আপনি যদি ঠিকঠাক আবেদন করতে পারেন তাহলে অতি নিমিষেই পর্তুগাল ওয়ার্ক পারমিট ভিসা পেয়ে যাবেন। পর্তুগাল ভিসা আবেদন করার ওয়েবসাইট এর নাম আমি লিখে দিব, এই ঠিকানা নিয়ে আপনি সার্চ করলে পর্তুগাল ভিসা আবেদন করার ওয়েবসাইট পেয়ে যাবেন। 

পর্তুগালের ভিসা কিভাবে আবেদন করতে হবে এ সম্পর্কে আমি নিম্নে আলোচনা করব, তার পূর্বে জেনে নেয়া যাক পর্তুগাল ভিসা আবেদন করতে হলে কি কি ডকুমেন্ট প্রয়োজন।

(১) পর্তুগাল ভিসা আবেদন করতে হলে দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি প্রয়োজন হবে। 

(২) একটি পাসপোর্ট থাকতে হবে, পাসপোর্ট এর মেয়াদ সর্বনিম্ন এক বছর থাকতে হবে। 

(৩) আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র থাকতে হবে, যাকে আমরা ভোটার আইডি কার্ড বল।  

(৪) আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতার একটি সার্টিফিকেট থাকতে হবে, তা কমপক্ষে এইচএসসি পাশের সার্টিফিকেট হতে হবে।

উপরে উল্লেখিত সবগুলো ডকুমেন্ট আপনি যদি সাবমিট করতে পারেন তাহলে অবশ্যই পর্তুগালের ভিসা পেয়ে যাবেন।


পর্তুগাল কৃষি ভিসা

বর্তমান সময়ে পর্তুগালে কৃষি কাজ করার জন্য অসংখ্য লোক নেওয়া হচ্ছে বাংলাদেশ ও  ইন্ডিয়া থেকে। পর্তুগালে শাকসবজি এবং ফল চাষ করা হয়, পর্তুগালে বেশিরভাগ আঙ্গুর, আপেল, ড্রাগন ফল চাষ করা হয়। বর্তমান সময়ে অসংখ্য লোক নিচ্ছে পর্তুগাল।

 

বর্তমান সময়ে পর্তুগালের এগ্রিকালচার সাইট স্ট্রং করার জন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আপনি যদি পর্তুগালে কৃষি ভিসা নিয়ে যান, তাহলে আপনার খরচ হবে ৬ থেকে ৭ লাখ টাকা। 

আপনি যদি কোন এজেন্সির মাধ্যমে যান, একটু বেশি খরচ হবে। পর্তুগালের কৃষি কাজ করলে আপনার প্রতি মাসে বেতন বাড়বে বাংলাদেশের ১ থেকে দেড় লক্ষ টাকা। 

আরো পড়ুন ,,, কানাডা কৃষি ভিসা ২০২২

ইতালি কৃষি ভিসা ২০২৩ আবেদন ফরম

আপনি যদি পর্তুগাল ওয়ার্ক পারমিট ভিসা নিয়ে যেতে চান, তাহলে কিছু কাগজপত্র প্রয়োজন হবে তা হল:- 

(১) ছয় মাস মেয়াদি পাসপোর্ট। 

(২) ভোটার আইডি কার্ডের ফটোকপি। 

(৩) ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর ফটোকপি। 

(৪) কৃষি কাজের দক্ষতার সার্টিফিকেট ট্রাভেল করেছেন তার প্রমান পত্র।

উপরে উল্লেখিত সবগুলো যদি আপনি ঠিকঠাক সাবমিট করতে পারেন, তাহলে অবশ্যই আপনি পর্তুগাল কৃষি ভিসা পেয়ে যাবেন। 

শেষকথা 

প্রিয় বন্ধুরা আশাকরি পর্তুগাল যেতে কত টাকা লাগে ও বাংলাদেশ থেকে পর্তুগাল যাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে আপনাদের সুন্দর একটা ধারণা দিতে পেরেছে। আমার এই ওয়েবসাইটটিতে পর্তুগাল সম্পর্কে এবং অন্যান্য দেশের ভিসা সম্পর্কে অসংখ্য পোস্ট রয়েছে। 

আপনারা চাইলে যেকোন সময় আমার এই ওয়েবসাইটটিতে ভিজিট করতে পারেন। আজকে এ পর্যন্ত আবারও হয়তো দেখা হবে অন্য কোন বিষয় নিয়ে, আমার এই ওয়েবসাইটটিতে আসার জন্য আপনাদের অনেক অনেক ধন্যবাদ।


WRITTEN BY

A Blogger, Author and a Youtuber! Technology News Writer, has been with Ajker IT since 2022.

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url