রমজানের ফযীলত সম্পর্কে হাদীস॥ রমজান মাসের দোয়া

 রমজানের ফযীলত সম্পর্কে হাদীস


রমজানের ফযীলত সম্পর্কে হাদীস নিয়ে আপনাদের সাথে কথা বলবো। আসসালামুয়ালাইকুম পিয় পাঠোক রমজান হলো রহমাত, বরকত ও মাগফেরাতের মাস। 


রমজানের ফযীলত সম্পর্কে হাদীস॥ রমজান মাসের দোয়া



মুসলিমদের উপর রোজা ফরয করা হয়েছে। হাদীসে আরো এসেছে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন যে স্বয়ং আল্লাহ তাআলা বলেনঃ রোজা আমার জন্য আর আমি তার পুরষ্কার দান করব। 


You may like also......


রোজা জাহান্নামের ঢাল স্বরূপ। তোমরা রোজা রেখে অশ্লীল কথাবার্তা ও খারাপ কাজে লিপ্ত হয় ও না। তোমাদের সাথে কেউ গালমন্দ বা ঝগড়া করলে বলবে আমি রোজাদার।



     রোজার আরবি অর্থ কি?



* রোজার আরবি অর্থ হল:- সওম।



     রোজার বহুবচন অর্থ কি?



* রোজার বহুবচন অর্থ হলো:-সিয়াম।




     সওম বা সিয়াম এর অর্থ কি?



* সওম বা সিয়াম এর অর্থ হলো:- বিরত থাকা।



     রোজা কাকে বলে?



* সুবহে সাদিক হতে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সকল ধরনের ধরনের পানাহার পাপাচার এবং সকল ধরনের খারাপ কাজ থেকে বিরত ও সংযত রাখা কে রোজা বলা হয়।



রমজান মাসে সবাইকে খারাপ কাজ থেকে বিরত রাখে। রমজান মাস হল পূর্বের সকল পাপ থেকে বিরত থাকা এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা চেয়ে প্রকৃত মুমিন হয়ে বেঁচে থাকার প্রতিজ্ঞা করার মাস।



রোজা রেখে যা করা উচিত যেমন নামাজ পড়া, তবজী পড়া, জিকির করা, কোরআন শরীফ তেলাওয়াত করা।



রোজা রেখে যা করা উচিত না যেমন কোনো অশ্লীল কথা বলা বা খারাপ কাজে লিপ্ত হওয়া ঝগড়া-বিবাদ করা ধরনের কোনো কাজই করা যাবে না।


রমজান মাসের দোয়া


রমজান মাসের দোয়া সম্পর্কে আপনাদের সাথে আলোচনা করব। রমজান মাস হল একটি পবিত্র মাস।


হযরত সালমান ফারসী রাঃ হতে বর্ণিত করেন যে, শাবান মাসের শেষ দিন হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের উদ্দেশ্যে বলেন। অবশ্যই তোমাদের সামনে বরকতময় মাস উপস্থিত।


রমজান মাসে বেশি বেশি চারটি কাজ তোমরা আমল করো। তার ভিতরে দুটি হল আল্লাহর জন্য আর দুটি তোমাদের নিজেদের জন্য।



      আল্লাহর জন্য দুটি আমল হলো



* লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ পাঠ করা।



* আল্লাহর কাছে বেশি বেশি ক্ষমা প্রার্থনা করা।



 কালেমা বেশি বেশি পড়ার কারণ হলো আল্লাহর দিকে ধাবিত হওয়া এবং মানুষের হতে বড় ধরনের পাপ শিরক থেকে বিরত থাকা। এই কারণে মহান রাব্বুল আলামিন যুগে যুগে আমাদের উপর নবী-রাসূল প্রেরণ করেছেন। 



আর আমাদের দিয়েছে al-quran যা পৃথিবীর সর্বকালের মহাগ্রন্থ। আমাদের বেশি বেশি করে তওবা করা যাতে আমরা মুক্ত হই। 


এ ব্যাপারে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন যে, যে ব্যক্তি বেশি বেশি তওবা করে এবং গুনাহমুক্ত ব্যাপারে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করে সেই ব্যক্তি আল্লাহকে করুণাময় হিসেবে পায়।



সূরা নূর আয়াত নং ৩১ এ বর্ণিত আছে, হে মুমিনগণ তোমরা সকলেই আল্লাহর দিকে প্রত্যাবর্তন করো যাতে তোমরা সফলকাম হতে পারো।



স্বয়ং রাব্বুল আলামীন আরো বলেন যে তোমরা আমার কাছে বেশি বেশি করে ক্ষমা প্রার্থনা করো আমি অত্যন্ত ক্ষমাশীল ও করুণাময়।



রাসূল সাল্লাহু সালাম বলেন যে তোমরা ,রাব্বিগ ফিরলি ওয়া তুব  আলাইকা ইন্নাকা তাওয়াবুর রহিম, এই দোয়া বেশি বেশি করে পড়ো।



এর অর্থ হলো হে আমার প্রভু আপনি আমাকে ক্ষমা করুন এবং আমার তওবা কবুল করুন। আপনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল করুণাময়।



রাসুল সাঃ বলেছেন তোমরা মসজিদের এক বৈঠকে বসে 100 বার এই দোয়া পাঠ করো। এগুলোই হল রমজান মাসের দোয়া।



আপনারা চাইলে এই পোস্টগুলো দেখতে পারেন......


.
.

.

.
WRITTEN BY

A Blogger, Author and a Youtuber! Technology News Writer, has been with Ajker IT since 2022.

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url