সুন্দরবন বিশ্বের ঐতিহ্যের তালিকায় কততম স্থান॥ সুন্দরবন বাংলাদেশের কয়টি জেলায় অবস্থিত
সুন্দরবন বিশ্বের ঐতিহ্যের তালিকায় কততম স্থান
সুন্দরবন বিশ্বের ঐতিহ্যের তালিকায় কততম স্থান: আসসালামুআলাইকুম বন্ধুরা আজকে আপনাদের সাথে আলোচনা করব সুন্দরবন বিশ্বের ঐতিহ্যের তালিকায় কততম স্থান এবং আরো সুন্দরবনের অন্যান্য বিষয় নিয়ে।
সুন্দরবন বিশ্বের ঐতিহ্যের তালিকায় কততম স্থানে আছে
৬২০ তম স্থান
২২৮ তম স্থান
৮১৫ তম স্থান
৭৯৮ তম স্থান
সুন্দরবন বিশ্বের ঐতিহ্যের তালিকায় কততম স্থান তার বিস্তারিত: সুন্দরবন বঙ্গোপসাগরের উপকূলীয় অঞ্চলে অবস্থিত। সুন্দরবনে একটি বিশাল বনভূমি এটা বিশ্বের অন্যতম প্রাকৃতিক বৈষম্য।
সুন্দরবন বিশ্বের কততম ম্যানগ্রোভ বন
৪ তম স্থান
১ তম স্থান
৩ তম স্থান
২ তম স্থান
সুন্দরবন একটি ঘন বনাঞ্চল। বাংলাদেশের দুর্যোগ মোকাবেলায় সুন্দরবনের অনেক ভূমিকা রয়েছে। আমাদের জন্য অনেক সুফল বয়ে আনে।
ইউনেস্কো সুন্দরবনকে কততম (বিশ্ব ঐতিহ্য) হিসেবে ঘোষণা করে
৩২০ তম স্থান
৪৮০ তম স্থান
৭৯৮ তম স্থান
৯৩২ তম স্থান
সুন্দরবনের জালের মতো ছড়িয়ে আছে বহু জলাসা, কাদামাটি ও ক্ষুদ্রতম বনভূমি।
ইউনেস্কো সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে কত সালে ঘোষণা করে
১০ ই জানুয়ারি ১৯৯২ সালে
১২ ই নভেম্বর ১৯৯১ সালে
২০ ই এপ্রিল ১৯৯৪ সালে
৬ ই ডিসেম্বর ১৯৯৭ সালে
সুন্দরবন বাংলাদেশ ও ভারতীয় অংশ নিয়ে বিস্তৃত। ইউনেস্কো সুন্দরবনকে বিভিন্ন নামে সূচিবদ্ধ করে।
সুন্দরবন বাংলাদেশের কয়টি জেলায় অবস্থিত
১০ টি জেলায় অবস্থিত
৩ টি জেলায় অবস্থিত
৫ টি জেলায় অবস্থিত
৭ টি জেলায় অবস্থিত
সুন্দরবন একটি বিশাল অরণ্যের বনভূমি যা বাংলাদেশের কয়েকটি অঞ্চল নিয়ে অবস্থিত
যেমন: খুলনা, বাগেরহাট, পটুয়াখালী, সাতক্ষীরা ও বরগুনা জেলা নিয়ে অবস্থিত।
সুন্দরবনের আয়তন কত
সুন্দরবনের বাংলাদেশের অংশের আয়তন:-
৫১১২ বর্গ কিলোমিটার
৭০৬৭ বর্গ কিলোমিটার
৪০৪৫ বর্গ কিলোমিটার
৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার
সুন্দরবন বাংলাদেশ ছাড়া ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ 24 পরগনা জেলায় ও উত্তর 24 পরগনা জেলায় অবস্থিত।
সুন্দরবনের দ্বীপের নাম
ঘোড়ামারা দ্বীপ
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যের সুন্দরবন এলাকায় এই দ্বীপটি অবস্থিত। ঘোড়ামারা দ্বীপ টি বর্তমানে ভাঙ্গনের মুখে পড়েছে। ঘোড়ামারা দ্বীপ টি ভারতের হুগলি নদীতে বুড়িগঙ্গা নদীর উৎসমুখ এ অবস্থিত।
সুন্দরবনের দর্শনীয় স্থান
সুন্দরবনের দর্শনীয় স্থানগুলো নিচে উল্লেখ করা হলো। আমাদের হয়তোবা অনেক সময় ইচ্ছে জাগে সুন্দরবন ঘুরে দেখার। সুন্দরবনের সুন্দর সুন্দর স্থানগুলো পরিদর্শন করা। কিন্তু বন্ধুরা আপনারা কখনো সুন্দরবনের একা যাওয়ার চেষ্টা করবেন না।
কারণ সুন্দরবনে রয়েল বেঙ্গল টাইগার ও হিংস্র পশু আছে। আপনাদের যেতে হলে বাংলাদেশের বনরক্ষী বাহিনীর অনুমতি নিয়ে যেতে হবে এবং তাদেরকে সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে।
কারণ আপনি যদি একা যান কোন গার্ড ছাড়া তাহলে আপনার বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে। সুন্দরবনের একা গেলে প্রচুর হিংস্র প্রাণীর ভয় ও জঙ্গলের গহীন অরণ্যে আপনি হারিয়ে যেতে পারেন।
সুন্দরবনের দর্শনীয় স্থানসমূহ যেমন:- কটকা, করমজল, জামতলা সমুদ্র সৈকত, হিরণ পয়েন্ট, দুবলার চর, হাড়বাড়িয়া ইকো-ট্যুরিজম এইসব স্থানগুলো আপনি ঘুরে দেখতে পারেন।
সুন্দরবনের বর্তমান অবস্থা
সুন্দরবনের অবস্থান বিগত বছরের থেকে অনেকটা ভালো। কারণ পূর্বে সুন্দরবনের সুন্দরী গাছ কেটে নিয়ে যেত মানুষ। আবার কিছু কিছু সময় সুন্দর বনে আগুন ও লেগেছিল।
বর্তমান সময়ে সুন্দরী কাঠ কাটা বা আগুন লাগা এসব বিষয় থেকে সুন্দরবন কিছুটা রক্ষা পেয়েছে। সুন্দরবনের নেই কোন জলদস্যু। কেউ সরকারি পারমিশন ছাড়া কাঠ কাটতে পারে না।
সুন্দরবনের পশুরা নদীতে নৌকা চলাচলের পারমিশন বনবিভাগ কর্তৃপক্ষ। সুন্দরবনের শ্যালা নদী দিয়ে যা জাহাজ চলাচলের পারমিশন দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।
সুন্দরবনের শ্যালা নদী দিয়ে বর্তমানে ১৫০ থেকে 200 টি জাহাজ চলাচল করে। সুন্দরবনের বিভিন্ন রকমের গাছ আছে কিন্তু তার ভিতর বেশি সুন্দরী গাছ থাকার কারণে সুন্দরবন নামকরণ করা হয়। সুন্দরবন কথার অর্থ হল:- সুন্দর জঙ্গল বা সুন্দর বনভূমি।
সুন্দরবন অঞ্চলের মাটির বৈশিষ্ট্য
কোন অঞ্চলের মাটির বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে আলোচনা করব:- বাংলাদেশের অভ্যন্তরে তুলনায় সুন্দরবনের মাটি একটু আলাদা হয়ে থাকে।
মূলত সুন্দরবন জোয়ার ভাটা হওয়ার কারণে ওইখানকার পানিতে জলাবদ্ধতা ও লবণাক্ততা বেশি হয়। ওই কারণে সুন্দরবনের মাটি পলিযুক্ত দোআঁশ মাটি। সুন্দরবনের অধিকাংশই গাছপালা ম্যানগ্রোভ হয়।
